সারাদেশ
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ন
||
প্রিন্ট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩১ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার
সার সংকট নিরসনে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় অতিরিক্ত বরাদ্দ, কৃষকদের ভোগান্তি হবে না
শামীম ইকবাল চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি::
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কৃষিনির্ভর গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে চলমান সার সংকটের প্রেক্ষিতে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনায় অতিরিক্ত সার বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রামু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানজিলা আক্তার।
শনিবার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে সার সংকট নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া এলাকার কৃষকদের যাতে সারের জন্য ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফর রহমান কাজলের নির্দেশনাও রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত সার বরাদ্দ দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ায় সার সংকটের বিষয়টি জানার পর কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফর রহমান কাজল কৃষকদের যাতে সার সংগ্রহে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এমপি লুৎফর রহমান কাজল বলেন, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে এ নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়। সারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম, কারসাজি বা কৃষক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল হাশেম ও জাকের আহাম্মদসহ অনেকে জানান, আমনসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের আবাদে এ সময়ে সারের চাহিদা বেশি। অতিরিক্ত সার বরাদ্দের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়ন হলে কৃষকদের মধ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগ অনেকটাই কমবে। সংশ্লিষ্ট
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, এ মাসে বরাদ্দের ৩০ মেক্ট্রিক টন সার কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে। আরও অতিরিক্ত সার বরাদ্দ কথা হয়েছে। তাই তিনি উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের হতাশ না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ম মেনে সার সংগ্রহ করে ফসল উৎপাদনে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্পাদক : প্রিয়দর্শী বড়ুয়াভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নুসরাত জাহানআইন সম্পাদক : এডভোকেট ইব্রাহিমবার্তা সম্পাদক : এম. জাহিদ হাসান